কেন জানি ছোটবেলার এক ট্রেন যাত্রার কথা মনে পড়ছে।
সুড়ঙ্গের পর সুড়ঙ্গ পেরিয়ে যন্ত্রদানব চলেছে।
হঠাৎ হঠাৎ অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে চারিদিক, সব মানুষ।
শুধু তাদের কথা ভেসে বেড়াচ্ছে,
সঙ্গে নানা শব্দ।
হাসি, গল্প, খানিকটা বা নীরব কান্না মেশানো।
কাগজের খসখস বা টিফিন বাক্সে আঘাত।
কেউ বা নড়াচড়া করছে,
কেউ বা কিছু বলতে চাইছে।
আলো নেই,
শুধু শব্দ,
চারিদিক শব্দেরা খেলা করে বেড়াচ্ছে।
আমাকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছে,
আর আমি শুনছি,
কেবল শুনছি।
এ যেন অন্য এক পৃথিবী,
যেখানে চেনাজানা দৃশ্যকল্প নেই,
রয়েছে অন্য এক চিত্র।
যার অস্তিত্ব বোঝা যায়,
ধরা যায় না।
যাকে অনুভব করা যায়,
ছোঁয়া যায় না।
কেন এই দৃশ্য মনে এল?
আজ তো পঁচিশে বৈশাখ,
বাঙালির বড়ো আপনার দিন,
নিজেকে উজাড় করে ভালবাসা জানানোর দিন,
নিজের মলিনতা মুছে শুদ্ধ হওয়ার দিন।
অন্তরের নৈবেদ্য সাজিয়ে দেওয়ার দিন।
এ এক অনন্ত ভালবাসার দিন,
যখন ক্ষুদ্রতা, সংকীর্ণতার আবরণ ছেড়ে
বৃহৎ আমিকে আলিঙ্গনের দিন।
তাই আজ কেন সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গ
মনের কোন গহীন কোণ থেকে জানান দেয়,
বলে যতই আলোর সাধনা কর,
আমিও আছি।
নিঃসীম অন্ধকারে আমি আছি।
তমসাচ্ছন্ন আঁধারে আমি আছি,
যেখানে অব্যক্ত হাসি কান্নারা গলা পাঁকিয়ে থাকে,
দূর থেকে ভেসে আসে কোন হাহাকার।
কেন সেই হাহাকার মনে এল
আজ অন্তরের ভালবাসার দিনে?
তবে কি সুড়ঙ্গের শেষের যে ক্ষীণ আলো
তা কোনও আলো নয়,
সে শ্মশানের বহ্ণিমাণ চিতা,
যা আসলে পুড়িয়ে খাক করে দিচ্ছে
আমাদের ভালবাসাকে,
এক অন্তহীন নিঃসঙ্গতার আঁধারে ঠেলে দিচ্ছে।
নগর সভ্যতার যে শব্দ আসলে শুনতে পাচ্ছি
তা আসলে এক অনন্ত হাহাকার।
স্বজন হারানোর বেদনা
দুমড়ানো মোচড়ানো হৃদয়ের কান্নার ঢেউ,
যা এসে আছড়ে পড়ছে
পঁচিশে বৈশাখের রোদ ঝলমল সকালে।
মনে পড়ে সেই আঁধারে কেমন যেন ভয় পাওয়ার কথা,
কেমন যেন মনে হওয়া
গল্পের ভয়াবহতা ঘিরে ফেলার কথা।
তখন এক শক্ত ঋজু হাতের দুর্বলকে অভয় দেওয়া,
কোনও ভয় নেই।
এই আঁধার সাময়িক,
এই আঁধার ছিন্ন হবেই।
দূরের এগিয়ে আলোকবিন্দুও সেই আশা দিয়েছিল।
আজ এই অনন্ত হাহাকারের মাঝে,
লেলিহান গণচিতার মাঝে,
ক্ষুদ্রতা নীচতার উলঙ্গ নৃত্যের মাঝে,
আমিত্ব আর ক্ষমতার লোলুপতার মাঝে,
তোমাকেই চাই পঁচিশে বৈশাখ।
তোমাকে আঁকড়েই দিশা পেতে চাই
এই তমসাঘন সুড়ঙ্গ থেকে বেরোনোর,
তোমার কাছেই তো বারংবার ছুটে আসি,
শুনি সেই অভয়বাণী,
ভয় নাই, রে ভয় নাই।
এই আঁধার কাটবেই।
চিতার বহ্নি নির্বাপিত হবে,
সত্যি আলো অপেক্ষমান সুড়ঙ্গ শেষে।কেন জানি ছোটবেলার এক ট্রেন যাত্রার কথা মনে পড়ছে।
সুড়ঙ্গের পর সুড়ঙ্গ পেরিয়ে যন্ত্রদানব চলেছে।
হঠাৎ হঠাৎ অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে চারিদিক, সব মানুষ।
শুধু তাদের কথা ভেসে বেড়াচ্ছে,
সঙ্গে নানা শব্দ।
হাসি, গল্প, খানিকটা বা নীরব কান্না মেশানো।
কাগজের খসখস বা টিফিন বাক্সে আঘাত।
কেউ বা নড়াচড়া করছে,
কেউ বা কিছু বলতে চাইছে।
আলো নেই,
শুধু শব্দ,
চারিদিক শব্দেরা খেলা করে বেড়াচ্ছে।
আমাকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছে,
আর আমি শুনছি,
কেবল শুনছি।
এ যেন অন্য এক পৃথিবী,
যেখানে চেনাজানা দৃশ্যকল্প নেই,
রয়েছে অন্য এক চিত্র।
যার অস্তিত্ব বোঝা যায়,
ধরা যায় না।
যাকে অনুভব করা যায়,
ছোঁয়া যায় না।
কেন এই দৃশ্য মনে এল?
আজ তো পঁচিশে বৈশাখ,
বাঙালির বড়ো আপনার দিন,
নিজেকে উজাড় করে ভালবাসা জানানোর দিন,
নিজের মলিনতা মুছে শুদ্ধ হওয়ার দিন।
অন্তরের নৈবেদ্য সাজিয়ে দেওয়ার দিন।
এ এক অনন্ত ভালবাসার দিন,
যখন ক্ষুদ্রতা, সংকীর্ণতার আবরণ ছেড়ে
বৃহৎ আমিকে আলিঙ্গনের দিন।
তাই আজ কেন সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গ
মনের কোন গহীন কোণ থেকে জানান দেয়,
বলে যতই আলোর সাধনা কর,
আমিও আছি।
নিঃসীম অন্ধকারে আমি আছি।
তমসাচ্ছন্ন আঁধারে আমি আছি,
যেখানে অব্যক্ত হাসি কান্নারা গলা পাঁকিয়ে থাকে,
দূর থেকে ভেসে আসে কোন হাহাকার।
কেন সেই হাহাকার মনে এল
আজ অন্তরের ভালবাসার দিনে?
তবে কি সুড়ঙ্গের শেষের যে ক্ষীণ আলো
তা কোনও আলো নয়,
সে শ্মশানের বহ্ণিমাণ চিতা,
যা আসলে পুড়িয়ে খাক করে দিচ্ছে
আমাদের ভালবাসাকে,
এক অন্তহীন নিঃসঙ্গতার আঁধারে ঠেলে দিচ্ছে।
নগর সভ্যতার যে শব্দ আসলে শুনতে পাচ্ছি
তা আসলে এক অনন্ত হাহাকার।
স্বজন হারানোর বেদনা
দুমড়ানো মোচড়ানো হৃদয়ের কান্নার ঢেউ,
যা এসে আছড়ে পড়ছে
পঁচিশে বৈশাখের রোদ ঝলমল সকালে।
মনে পড়ে সেই আঁধারে কেমন যেন ভয় পাওয়ার কথা,
কেমন যেন মনে হওয়া
গল্পের ভয়াবহতা ঘিরে ফেলার কথা।
তখন এক শক্ত ঋজু হাতের দুর্বলকে অভয় দেওয়া,
কোনও ভয় নেই।
এই আঁধার সাময়িক,
এই আঁধার ছিন্ন হবেই।
দূরের এগিয়ে আলোকবিন্দুও সেই আশা দিয়েছিল।
আজ এই অনন্ত হাহাকারের মাঝে,
লেলিহান গণচিতার মাঝে,
ক্ষুদ্রতা নীচতার উলঙ্গ নৃত্যের মাঝে,
আমিত্ব আর ক্ষমতার লোলুপতার মাঝে,
তোমাকেই চাই পঁচিশে বৈশাখ।
তোমাকে আঁকড়েই দিশা পেতে চাই
এই তমসাঘন সুড়ঙ্গ থেকে বেরোনোর,
তোমার কাছেই তো বারংবার ছুটে আসি,
শুনি সেই অভয়বাণী,
ভয় নাই, রে ভয় নাই।
এই আঁধার কাটবেই।
চিতার বহ্নি নির্বাপিত হবে,
সত্যি আলো অপেক্ষমান সুড়ঙ্গ শেষে।
Liked our work ?